গর্ভকালে বেশির ভাগ নারীই নানা ধরনের মানসিক চাপ বোধ করেন। তাদের মধ্যে অস্থিরতা বাড়ে, কখনো কখনো বিষণ্নতায় ভোগেন তারা। তাই এ সময়ে চাই বাড়তি যত্ন।
বাংলাদেশ গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ‘শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রুমানা বাসার বলেন, “অন্তঃসত্ত্বা নারীদের শরীর ও মনের অবস্থা নাজুক থাকে। এই সময় তাকে মানসিকভাবে আঘাত করা বা সে কষ্ট পেতে পারে এমন আচরণ করা মোটেও ঠিক নয়।”
সন্তান হতে যাওয়া মায়ের মানসিক অবস্থা তার গর্ভস্থ শিশুর উপর প্রভাব ফেলে বলে জানান, তিনি।
এই সময়ে নারীদের শরীর দুর্বল থাকে যার প্রভাব পড়ে তার মনে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে তার শারীরিক দুর্বলতা মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। ফলে অনেকের মেজাজ খিটমিটে হয়ে যায়, অনেকের মধ্যে আবার সন্দেহপ্রবণতা দেখা দেয়।
সাধারণত, গর্ভাবস্থায় প্রথম দুইমাস ও শেষের দুই মাস বাদে অন্যান্য সময়ে দৈহিক মিলনে বাধা নেই। তবে অনেকে স্বেচ্ছায় মিলনে বিরত থাকে। যেহেতু এটি একটি স্বাভাবিক বিষয় এবং গর্ভধারণের কারণে মিলনে বিরত থাকতে হয়ে তাই কোনো কোনো নারীর মধ্যে স্বামীর প্রতি অনাস্থা দেখা দিতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে মাথা গরম করা বা ঝগড়াঝাটি করা ঠিক নয়। এতে মা ও শিশু দুজনেরই ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

